নিচের ছকের আলোকে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ইংল্যান্ড, ইতালি | X মতবাদ |
ফরাসিরা | Y মতবাদ |
জাউদ্দীপকের 'X' মতবাদটি হলো 'বাণিজ্যবাদ'।
ষোড়শ শতাব্দির শেষভাগ থেকে অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগ পর্যন্ত ইংল্যান্ড, ফ্রান্স ও ইতালিতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের যে প্রসার ঘটে, তাকে বাণিজ্যবাদ (Mercantilism) বলা হয়। একটি ব্যবস্থা যেখানে রাষ্ট্রশক্তির সাথে সরকারি কর্তৃপক্ষ একটি জাতির অর্থনৈতিক জীবন নিয়ন্ত্রণ এবং নির্দেশনা করে তাকে বাণিজ্যবাদ বলে।উল্লিখিত সময়ে (ষোড়শ শতাব্দীর শেষভাগ থেকে অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগ) দেশের ধন-সম্পদ বৃদ্ধি, রাষ্ট্রের ক্ষমতা বৃদ্ধি ও বাণিজ্য উদ্বৃত্তকরণের লক্ষ্যে ইংল্যান্ডের ব্যবসায়ীরা বেশি রপ্তানি করত এবং খুব সামান্যই আমদানি করত। ইংল্যান্ডের উৎপাদিত পণ্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রচুর পরিমাণে রপ্তানি করে মূল্যবান ধাতু (সোনা, রূপা, হীরা ইত্যাদি) আমদানি করা হতো। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল উপনিবেশ প্রতিষ্ঠা করা, যা কাঁচামাল বা মূল্যবান ধাতুর উৎস বা চূড়ান্ত পণ্যের বাজার হিসেবে কাজ করে। তাই উদ্দীপকের 'X' মতবাদটিকে বাণিজ্যবাদ বা Mercantilism বলা যায়।
জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষ বেঁচে থাকার জন্য অবিরাম অর্থনৈতিক সংগ্রাম করে। মানুষ আজীবন নানাবিধ বাধা পেরিয়ে এগিয়ে চলে। মানুষের চলার পথের অর্থনৈতিক সমস্যা বা বাধা অতিক্রম করতে অর্থনীতি বিষয় নানাভাবে সহায়তা করে। মানুষ, সমাজ বা দেশের সমৃদ্ধি অর্জনে অর্থনীতি বিষয় বিশেষ ভূমিকা পালন করে । অর্থনীতি বিষয় সম্পর্কে জানা বা শেখা সে জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। এ অধ্যায়ে অর্থনীতির উৎপত্তি ও বিকাশ; প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক সমস্যা; অর্থনীতির সংজ্ঞা ও নীতি; আয়ের বৃত্তাকার প্রবাহ এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হয়েছে।
এই অধ্যায় পাঠশেষে আমরা-
• অর্থনীতির উৎপত্তি ও এর বিকাশ ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করতে পারব
• দুষ্প্রাপ্যতা ও অসীম অভাবের পারস্পরিক সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারব
• অর্থনীতির ধারণা বর্ণনা করতে পারব
• অর্থনীতির প্রধান দশটি নীতি বর্ণনা করতে পারব
• বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থার পরিচয় বর্ণনা করতে পারব
• বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থার তুলনামূলক সুবিধা ও অসুবিধা মূল্যায়ন করতে পারব।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?